করোনা ভাইরাস

করোনা ভাইরাস বৈশ্বিক প্রাণগ্রাসীর প্রতিরোধে অবশ্যই যা করণীয়

স্বাস্থ্য টিপস্‌

করোনা ভাইরাসের বৈশ্বিক প্রাণগ্রাসী মহামারী এখন বিশ্বমানবকে করেছে ভীত। এ করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) থেকে বাঁচার বর্তমানে একমাত্র উপায় নিজে সচেতন থাকুন এবং অন্যকে সচেতন করুন। এ করালগ্রাসী করোনা ভাইরাসের লক্ষণ সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি, মাথা ও গলা ব্যাথা, বমি হওয়া প্রভৃতি। করোনা ভাইরাস বৈশ্বিক প্রাণগ্রাসীর প্রতিরোধে অবশ্যই যা করণীয় তা হলো বার বার সাবান দিয়ে হাত ধোঁয়া, চোখ-নাক-মুখে হাত না লাগানো, জনসমাগম এড়িয়ে চলা, প্রয়োজনে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করা, প্রয়োজন ব্যতীত সবসময় ঘরে থাকা। নিম্নে করোনা ভাইরাসের বিস্তারিত তথ্যসমূহ দেখুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতাই সুরক্ষার পন্থা

করোনা ভাইরাসঃ

করোনা ভাইরাস হলো রাইরোভিরিয়া পর্বের নিদুভাইরাস বর্গের করোনাভিরিডি গোত্রের অর্থোকরোনাভিরিন্যা উপ-গোত্রের সদস্য। এখন পর্যন্ত মানবদেহে সৃষ্ট করোনাভাইরাস সংক্রমণটির প্রতিরোধে কোন ভ্যাক্সিন বা অ্যান্টিভাইরাল ঔষধ আবিষ্কৃত হয়নি তবে যুক্তরাষ্ট্র পরীক্ষামূলক এক ৪৩ বছর নারীর শরীরে ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করেছেন। এ ভ্যাক্সিন পরীক্ষায় সফল হলে ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে বাজারজাত করণ করতে পারবে। এ ভাইরাসটির উপরিভাগ প্রোটিন যুক্ত হয়ে থাকে যা ভাইরাল স্পাইক পেপলোমার সমৃদ্ধ অঙ্গসংস্থান। এই প্রোটিন সংক্রমিত টিস্যুকে বিনষ্ট করে থাকে এবং ভাইরাসটি ডাইমারফিজম রূপে প্রকাশিত হয়। অনুমান করা হয় যে, এ ভাইরাসটি প্র্রাণী দেহ থেকে মানবদেহে প্রবেশ করে।

করোনা ভাইরাসে উৎপত্তিগত অর্থঃ

“করোনাভাইরাস” নামটি উৎপত্তিগতভাবে ‘ল্যাটিন’ শব্দ ‘করোনা’ থেকে উৎপত্তি। যার অর্থ হলো ‘মুকুট‘ বা ‘হার‘। ‘করোনা’ শব্দটি গ্রিক ‘kopwvn korone’ থেকে এসেছে যার অর্থ ‘মালা’ বা ‘হার‘।

করোনা ভাইরাসের শ্রেণিবিন্যাসঃ

গ্রুপ= ৪র্থ গ্রুপ ((+)ssRNA)

বর্গ= নিদুভাইরাস।

পরিবার= করোনাভাইরদা।

উপপরিবার= করোনাভাইরিনা।

গণ= আলফাকরোনাভাইরাস, বেটাকরোনাভাইরাস, ডেল্টাকরোনাভাইরাস, গামাকরোনাভাইরাস।

আদর্শ প্রজাতিঃ করোনাভাইরাস।

করোনা ভাইরাসের ইতিবৃত্তঃ

১৯৬০ সালে এ করোনা ভাইরাসটি প্রথম আবিষ্কৃত হয় এবং প্রথমে মুরগির মধ্যে ব্রষ্কাইটিস ভাইরাস হিসাবে দেখতে পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে সর্দি-কাশি-হাঁচির মাধ্যমে আক্রান্ত রোগীর মধ্যে দুই প্রকার ভাইরাস দেখতে পাওয়া যায়। ভাইরাস দুটি হলো- ‘মনুষ্য করোনাভাইরাস ২২৯ই’ এবং ‘মনুষ্য করোনাভাইরাস ওসি ৪৩’। তবে পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাইরাসটি দেখতে পাওয়া যায় ২০০৩ সালে ‘এসএআরএস-সিওভি’, ২০০৪ সালে ‘এইচসিওভি এনএল৬৩’, ২০০৫ সালে ‘এইচকিইউ১’ এবং ২০১৯ সালে চীনে ‘নোভেল করোনাভাইরাস। মূলত সকল ভাইরাসের প্রভাবে শ্বাসকষ্টের গুরুতর সংক্রমণ দেখতে পাওয়া যায়।

করোনা ভাইরাসের লক্ষণঃ

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রাথমিক যেসব লক্ষণ সমূহ দেখতে পাওয়া যায় তা হলোঃ

ক. জ্বর

খ. সর্দি

গ. হাঁচি ও কাশি

ঘ. শ্বাস কষ্ট

ঙ. বমি হওয়া

চ. অবসাদ

ছ. গলা ব্যথা

জ. অঙ্গ বিকল হওয়া

(বি:দ্র:- উপরোক্ত উপসর্গগুলো কিছু কিছু রোগীর ক্ষেত্রে দেখা গেলেও জ্বর থাকে না)

বিশেষ কিছু রোগীর ক্ষেত্রে আরও যেসব উপসর্গ দেখা যায়ঃ

ক. নাক বন্ধ হওয়া

খ. নাক দিয়ে পানি পড়া

গ. শ্বাস কষ্ট

ঘ. গলা ব্যথা

ঙ. শরীর ব্যথা

চ. ডায়রিয়া (কম ক্ষেত্রে দেখা যায়)

উপসর্গ বিস্তরণ সয়মঃ

এই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ১-১৪ দিনের মধ্যে উক্ত উপসর্গগুলো প্রকাশ বা বিস্তরণ হতে শুরু করে।

কিভাবে করোনা ভাইরাস ছড়ায়ঃ

আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি, শ্বাস-প্রশ্বাস অথবা কথা বলা সময় মুখ থেকে বেরিয়ে আসে নি:সৃত তরল কণা যা যেকোন বস্তু বা তলে লেগে থাকে করোনাভাইরাস। এই ভাইরাস লেগে থাকা বস্তু স্পর্শ করলে হাতের সাহায্যে উক্ত ভাইরাসটি মুখ-নাক-চোখ দিয়ে সুস্থ ব্যক্তিকেও আক্রান্ত করতে পারে। তাই একে অন্যের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে অন্তত: ০৩ ফুট ।

করোনা ভাইরাসের বিস্তরণঃ

সর্বপ্রথম চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ ডিসেম্বর করোনাভাইরাসের একটি প্রজাতির সংক্রামণ দেখা যায় এবং এ ভাইরাসটিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ‘২০১৯-এনসিওভি’ নামে নামকরণ করেন।

অতপর ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ মার্চ হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে চীনসহ সমগ্র বিশ্বে এ ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে ২১০ দেশের মোট ২০,৯১,২৭৯ জন আক্রান্ত হয়েছে, মৃত্যুবরণ করেছে ১,৩৫,২২৯ জন এবং সম্পূর্ণ সুস্থ্য হয়ে ঘরে ফিরেছে ৫,১৬,৬৯৩ জন।

এছাড়াও বিশেষ করে বর্তমানে বাংলাদেশে মোট আক্রান্ত= ২০,৯৯৫ জন, সুস্থ্য= ৪,১১৭ এবং মৃত্যু= ৩১৪ জন (১৬/০৫/২০২০) পর্যন্ত।

সমগ্র বিশ্বে ভাইরাসে আক্রান্তের আপডেড তথ্য পেতেঃ  এখানে ক্লিক করুন।

যতক্ষণ পর্যন্ত ভাইরাস টিকে থাকেঃ

১. বাতাসে সর্বোচ্চ তিন ঘন্টা

২. তামার উপর সর্বোচ্চ চার ঘন্টা

৩. কার্ডবোর্ডের উপর সর্বোচ্চ চব্বিশ ঘন্টা

৪. প্লাষ্টিকের উপর দুই থেকে তিন দিন

৫. স্টেইনলেস ষ্টিলের উপর দুই থেকে তিন দিন

শিশুরা কি করোনার কবল থেকে মুক্ত?

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) একটি মারাত্মক মরণনাশক মহামারী ব্যাধি। যার কবলের হাত থেকে কেউ রক্ষা পায়নি। তবে বিশ্ব পর্যবেক্ষণে দেখা যায় এখন পর্যন্ত শিশুরা এই রোগের মৃত্যুর হাত থেকে একেবারে মুক্ত নয় অর্থাৎ বর্তমানে খুব কম সংখ্যক শিশুই আক্রান্ত হয়েছে এবং সে তুলনায় হাতে গোনা কয়েকজন শিশু মৃত্যুবরণ করেছে। এতে কোন অভিভাবকের তেমন আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নেই। তবে সাধারণত শিশুদের যেসব লক্ষণ দেখা যায় যেমন- হাঁচি, কাশি, জ্বর ইত্যাদি যার কারণও হতে পারে ঋতু পরিবর্তন। শিশুদের উক্ত লক্ষণসমূহ দেখা গেলে আতঙ্কিত না হয়ে অভিজ্ঞ শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যা যা করণীয়ঃ

মাস্ক পরিধানঃ মুখে মাস্ক পরিধান করুন যাতে হাতের মাধ্যমে ভাইরাস মুখে প্রবেশ করতে না পারে।

চশমা পরিধানঃ চশমা পরিধান করলে হাত চোখে লাগতে বাধা দেয়। প্রত্যেকে চশমা পরিধান করার অভ্যাস করুন।

হাত মুষ্টি অবস্থায় রাখুনঃ যথা সম্ভব হাত মুষ্টি অবস্থায় রাখুন যাতে আপনার হাত চোখ-মুখ-নাকে না লাগে।

হাত ধৌঁত করাঃ বার বার হাত ধৌঁত করা এবং যাতে মুখ, নাক, চোখে হাত না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখা। এটাই হলো ভাইরাস প্রতিরোধের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উপায়। হাত ধৌঁত করার জন্য সাবান-পানি সবচেয়ে কার্যকরী। করোনা ভাইরাসের বাহিক্য আবরণটি চর্বি দ্বারা গঠিত এবং এই চর্বি ক্ষারযুক্ত যেকোন সাবানে ভেঙ্গে যায় এবং হাতের ভাইরাস মুক্ত হয়। এক্ষেত্রে সাবান সবচেয়ে কার্যকর। যদি সাবান না থাকে তাহলে অ্যান্টিসেপটিক হ্যান্ডওয়াশ বা অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ভাইরাস মুক্ত করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যে, অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার হাতে দিয়ে একদম আগুনের কাছে যাওয়া যাবে না।

হাত ধৌঁত করার সঠিক নিয়মঃ

প্রথমত, আপনার দুই হাতের তালুতে পরিমাণ মতো সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ নিয়ে ভালোভাবে ঘষুণ (অন্তত: ২০ সেকেন্ড)।

দ্বিতীয়ত, এক হাতের আঙ্গুল দিয়ে অন্য হাতের আঙ্গুলের মাঝখান ঘষে পরিষ্কার করুন।

তৃতীয়ত, এক হাতের আঙ্গুল দিয়ে অন্য হাতের পিষ্ঠ্য ঘষে পরিষ্কার করুন।

চতুর্থত, এক হাতের আঙ্গুল দিয়ে অন্য হাতে আঙ্গুল ঘষে পরিষ্কার করুন।

পঞ্চমত, এক এক করে বুড়ো আঙ্গুলসহ সব আঙ্গুল পরিষ্কার করুন।

ষষ্ঠত, এক হাতের নখ দিয়ে অন্য হাতের তালু পরিষ্কার করুন এভাবে দুই হাতের তালু পরিষ্কার করুন ।

সপ্তমম, অবশেষে দুই হাতের কবজি ঘষে পরিষ্কার করুন।

হাঁচি-কাশি আসলে যা করবেনঃ হাঁচি-কাশি আসলেই মুখে টিস্যু ব্যবহার করে দিতে হবে যাতে অন্যের ক্ষতি না হয়। যদি হাঁচি-কাশি সময় টিস্যু হাতের নাগালে না থাকে তবে বাহুর উপরের অংশ দিয়ে মুখ-নাক ঢেকে দিতে হবে।

রুগীর সংস্পর্শে না আসাঃ আক্রান্ত ব্যক্তির খুব কাছে না যাওয়া। জরুরি কোন প্রয়োজন ব্যতীত জনসমাগম স্থানে না যাওয়া। যদি প্রয়োজনে বাইরে বের হন তবে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন এবং পারলে হাতে গ্লোভস্‌ ব্যবহার করুন। বাহির থেকে বাড়িতে আসার পর ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে হাত-পা ধৌঁত করবেন এবং পরিহিত পোশাক খুলে আলাদা রাখুন এবং যদি সম্ভব হয়ে ধুঁয়ে দিবেন।

(সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)

যেসব বয়সের মানুষের মৃত্যুঝুঁকি বেশিঃ

মৃত্যুঝুঁকিতে বেশি রয়েছে- বয়োবৃদ্ধ, আগে থেকে আক্রান্ত উচ্চ-রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও হৃদ্‌রোগ রোগী। এসব মানুষদের সবচেয়ে বেশি সতর্কতায় থাকতে হবে।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে- যেসব বয়সের মানুষের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুঝুঁকি বেশি তার শতকরা হার নির্ধারণ করা হয়েছে।

বয়স——– শতকরা হার

১০-৩৯ বছর-  ০.২%।

৪০-৪৯ বছর-  ০.৪%।

৫০-৭০ বছর-  ১.৩%।

৮০ থেকে উর্ধ্বে বছর-  ১৪.৮%।

চীনে আক্রান্ত রোগীর যেসব উপসর্গ পাওয়া গেছেঃ

চীনে ৫৫,৯২৪ জন আক্রান্ত রোগীর উপর গবেষণায় যেসব উপসর্গ পাওয়া গেছে তার শতকরা হার নিম্নে দেওয়া হলোঃ

১। জ্বর (নিউমোনিয়া)-৮৮%

২। শুকনা কাশি-৬৮%

৩। অবসন্নতা-৩৮%

৪। সর্দি-৩৩%

৫। শ্বাসকষ্ট-১৯%

৬। গলাব্যথা-১৪%

৭। মাথাব্যথা-১৪%

৮। মাংসপেশি বা গাঁটের ব্যথা-১৫%

৯। কাঁপুনি-১১%

হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা অবস্থায় যা করবেনঃ

ক. কোয়ারেন্টিনে থাকা অবস্থায় বাড়ির সকল সদস্যদের কাছ থেকে আলাদা বা অন্য একক রুমে থাকতে হবে।

খ. কোয়ারেন্টিনে থাকা অবস্থায় কোন অতিথিকে তার সাথে দেখা করতে দেওয়া যাবে না।

গ. কোয়ারেন্টিনে থাকা অবস্থায় ব্যক্তির থালা, গ্লাস, বাসনপত্র, কাপ, তোয়ালে, বিছানার চাদর ও তার ব্যবহার্য জিনিসপত্র অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না।

ঘ. কোয়ারেন্টিনে কোন ধরনের পশু-পাখি রাখতে দেওয়া যাবে না।

ঙ. বই-পড়া, গান-শোনা, সিনেমা দেখা ও বিনোদনমূলক কাজে অংশগ্রহন করা যাবে।

(সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর)

করোনার প্রতিষেধকঃ

করোনার প্রতিষেধক হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন যে, করোনার চিকিৎসায় ম্যালেরিয়া জ্বরের প্রতিষেধক হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ও ক্লোরোকুইনের সঙ্গে এজিথ্রোমাইসিন কার্যকর।

বর্তমানে যোগাযোগের ঠিকানাঃ

করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন নিম্নোক্ত নম্বরেঃ

১৬২৬৩ (স্বাস্থ্য বাতায়ন, ৩৩৩ (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) এবং ১০৬৫৫ (আইইডিসিআর) নম্বরে ফোন করে বিনামূল্যে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেনাবাহনী কর্তৃক কোয়ারেন্টিন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে যোগাযোগের জন্য ইতিপূর্বে প্রদত্ত সকল নাম্বারের পরিবর্তে নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হলোঃ

০১৭৬৯০৪৫৭৩৯ (01769045739)

সহযোগিতামূলক ওয়েব সাইটের ঠিকানাঃ

১। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাঃ এখানে ক্লিক করুন

২। ইউনিসেফঃ এখানে ক্লিক করুন

৩। বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরঃ এখানে ক্লিক করুন

৪। বিবিসি বাংলাঃ এখানে ক্লিক করুন

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে অবশ্যই সবার সচেতনতাই পারে এ ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করতে।

“ধন্যবাদ”

=বাংলা হাউ ডট কম=

((www.banglahow.com)) হোম পেইজ দেখতেঃ এখানে ক্লিক করুন