মহিলাদের জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (ইমপ্ল্যান্ট)

মহিলাদের জন্য অস্থায়ী দীর্ঘমেয়াদী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (ইমপ্ল্যান্ট)

পরিবার পরিকল্পনা

ইমপ্ল্যান্ট পদ্ধতি সেবা শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য একটি অস্থায়ী দীর্ঘমেয়াদী জন্ম নিয়ন্ত্রণ ক্লিনিক্যাল পদ্ধতি বলে অভিহিত। এ পদ্ধতি ৩ থেকে ৫ বছরের জন্য কার্যকরী। এতে কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই। এর ফলে দাম্পত্য জীবনের সুখানুভূতিতে আর কোন বাধা রইল না।

ইমপ্ল্যান্ট পদ্ধতিঃ

ইমপ্ল্যান্ট পদ্ধতিতে রয়েছে একটি বা দুইটি নরম চিকন ক্যাপসুল যা (দেয়াশলাই-এর কাঠির চেয়ে ছোট) মহিলাদের হাতের কনুইয়ের উপরের ভিতরের দিকে চামড়ার নিচে ঢুকিয়ে দেয়া হয় এবং এটি একেবারেই ঝামেলামুক্ত।

ইমপ্ল্যান্ট পরিসেবাঃ

ক) যে কোন সক্ষম দম্পতি এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।

খ) মাসিকের প্রথম ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ইমপ্ল্যান্ট নিতে হবে। শুধুমাত্র প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডাক্তারের কাছে ইমপ্ল্যান্ট নেয়া যায়।

ইমপ্ল্যান্ট ব্যবহারের সুবিধা সমূহঃ

ক) ইমপ্ল্যান্ট পদ্ধতিটি ৩/৫ বছরের জন্য কার্যকর।

খ) পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে।

গ) শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ালেও নেয়া যায়।

ঘ) বুকের দুধ কমায় না।

ঙ) প্রসব পরবর্তী পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহার করা যায় প্রয়োজনে খুলে ফেলে দ্রুত সন্তান ধারণ করা যায়।

ইমপ্ল্যান্ট ব্যবহারের অসুবিধা সমূহঃ

ক) কারো কারো ক্ষেত্রে মাসিক অনিয়মিত হতে পারে।

খ) মাসিক বন্ধ হলে গর্ভসঞ্চার হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হতে চিকিৎসাকের পরামর্শ নিতে হয়।

গ) মাসিকের সময় রক্তস্রাব বেশি হতে পারে।

ঘ) দু-মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে ফোঁটা ফোঁটা রক্তস্রাব হতে পারে।

ঙ) মাথা ব্যথা হতে পারে।

চ) ওজন বেড়ে যেতে পারে।

এছাড়াও বিস্তারিতভাবে জানতে- স্বাস্থ্য ক্লিনিকে অথবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

“ধন্যবাদ”