সহজ জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সেবা (খাবার বড়ি)

Family Planing

আমাদের দেশের (বাংলাদেশ) সবচেয়ে একটি বড় সমস্যা হল জনসংখ্যা বৃদ্ধি। জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ করতে না পারলে দেশের উন্নয়ণ সম্ভবপর নয়। তাই জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি সেবা নিয়ে পরিবার ছোট রাখুন। জন্ম নিয়ন্ত্রণ বা পরিবার পরিকল্পনা একটি সামাজিক অধিকার। এ পদ্ধতি গ্রহণে অনীহা সামাজিক সচেতনতার অভাব। প্রত্যেক সচেতন নাগরিকের উচিত পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করে একটি সুখি সমৃদ্ধ পরিবার ও দেশকে গড়ে তোলা।

খাবার বড়ি অস্থায়ী পদ্ধতিঃ

জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহন করে পরিবার ছোট রাখুন। ছোট পরিবারই সুখী পরিবার। বর্তমানে যৌথ পরিবারের পরিবর্তে ছোট পরিবার দেখা যায়। খাবার বড়ি মহিলাদের একটি অন্যতম জন্ম নিরোধক পদ্ধতি। এটি একটি অস্থায়ী বা স্বল্পমেয়াদী পদ্ধতি। খাবার বড়ি সেবন মহিলাদের জন্য খুবই সুবিধাজনক বিধায় এর কোন ঝামেলা নেই। তবে খাবার বড়ি সেবনের নিয়ম অনুসারে বড়ি সেবন করতে হবে। আমাদের দেশের বেশীর ভাগ মহিলারা এ পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকে। বর্তমানে এটি একটি জনপ্রিয় জন্ম নিরোধক পদ্ধতি

খাবার বড়ি সেবনের নিয়মঃ

প্রথমত,  সাধারণত মাসিকের প্রথম দিন থেকে খাবার বড়ি খাওয়া শুরু করতে হবে।
দ্বিতীয়ত,  প্রথমে খাবার বড়ি (যেকোন খাবার বড়ি) পাতা থেকে ২১ টি সাদা বড়ি ও পরে টি আয়রন (হলুদ রং) ট্যাবলেট খেতে হবে। Tablet

দ্বিতীয়তঃ- চিত্র।

তৃতীয়ত,  মোট ২৮ টি বড়ি খাওয়া শেষ হয়ে গেলে অন্য পাতা থেকে বড়ি খাওয়া শুরু করতে হবে।
চতুর্থত,  প্রতিদিন রাতে খাবারের পর ঘুমাতে যাওয়ার আগে বড়ি খাওয়ার উপযুক্ত সময়।
পঞ্চমত,  একদিন কোন কারণে বড়ি খেতে ভুলে গেলে পরেরদিন যখনই মনে পড়বে তখনই বড়ি খেতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ে ঐ দিনের বড়িটিও খেতে হবে।
ষষ্ঠত,  যদি পর পর দু’দিন বড়ি খেতে ভুলে গেলে পরের দু’দিন দু’টি করে বড়ি খেতে হবে এবং এই বড়ির পাতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বড়ির সাথে অন্য একটি পদ্ধতি যেমন- কনডম ব্যবহার করতে হবে।

খাবার বড়ি সেবনের সুবিধাঃ

প্রথমত,  এটি একটি কার্যকর পদ্ধতি এবং সাফল্যের হার মতকরা ৯৭ থেকে ৯৯ ভাগ।
দ্বিতীয়ত, যে কোন সময়ে এ পদ্ধতি পরিবর্তন করে অন্য পদ্ধতি ব্যবহার করা যাবে।
তৃতীয়ত,  আয়রণ বড়ি সেবনে রক্তস্বল্পতা হ্রাস পায়।
চতুর্থত,  এটি সহজলভ্য এবং ব্যবহার পদ্ধতি খুবই সহজ।
পঞ্চমত,  মাসিক স্রাব নিয়মিত করে।

খাবার বড়ি সেবনের অসুবিধাঃ

প্রথমত,  প্রতিদিন নিয়মিত খেতে হয় বলে ঝামেলা মেন হয়।
দ্বিতীয়ত,  যোনিপথের পিচ্ছিলতা কমে যেতে পারে।
তৃতীয়ত,  মাসিকের পরিমাণ কম হয় বলে অনেক মহিলা এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন।
চতুর্থত,  বুকের দুধ কমে যেতে পারে।

(সচেতনতাই পারে দুশ্চিন্তার মুক্তি ঘটাতে)

(পরিবার পরিকল্পনা গ্রহন করে পরিবার ছোট রাখুন। ছেলে হোক মেয়ে হোক দু’টি সন্তান যথেষ্ট, একটি হলে আরও ভালো)

=ধন্যবাদ=

Be the first to comment

Leave a Reply